ঘনাদা এলেন

Share:

Facebook
WhatsApp
Telegram

Author: Premendra Mitra
Producer: Ghanadastories

Synopsis: বাহাত্তর নম্বর বনমালি নস্কর লেনের সেই বহু আলোচিত মেসের আদি বাসিন্দা চারজন। শিবু গৌর সুধীর শিশির। ঘনাদা তেতলায় ন্যাড়া ছাদে ঘর দেখে দুদিনের থাকার বাসনায় ঢুকে পড়েন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার মোক্ষম সংলাপ। “জারবোয়া জবাবের জন্য অপেক্ষা”। ব্যাস তারপরেই হু হু করে চড়ল চারজনের সম্মিলিত কৌতূহলের পারদ। সাহারার মরু অঞ্চলের এক রকম ইঁদুরের গল্পে – আফ্রিকার উগাণ্ডার অভয়ারণ্যের রহস্যঘন গল্পে – রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিলেন। টাইকুন ট্যানার চমকানো আফ্রিকান সফরির ঝামেলা পোহানোতেই নাকি এই শুকনো লম্বা চেহারার লোকটার যাবতীয় সুখ।

সিগারেট খান। অথচ সিগারেট সঙ্গে রাখেন না। অম্লান বদনে তাই সিগারেট তুলে নেওয়া শুরু শিশিরের টিন থেকে। মুখে অবশ্য বলেন যে এগুলো সব ধার নিচ্ছেন। গুণে গুণে সব কটা সিগারেট তিনি পরে ফেরত দিয়ে দেবেন। সিগারেটে সুখটান দিতে দিতে আফ্রিকার গহন অরণ্যের বিবরণে যা সব ইতিহাস ভূগোল জীববিদ্যা উঠে আসে তাতে স্পষ্ট তাঁর প্রবল পাণ্ডিত্য, অকুতোভয় সংগ্রামী চেতনা, উপস্থিত বুদ্ধির প্রাখর্য, যেকোন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতেও সমস্ত স্নায়ু সজাগ রেখে বীর দর্পে জয়ী হবার উদগ্র বাসনা। বলাবাহুল্য চারজনেরই মন্ত্রমুগ্ধ মোহাবেশ তৈরিতে এতটুকুও দেরী হয় না।

এ হেন ঘনাদা নাকি লন্ডনটাইমসএ জারবোয়ার ছাপ দেওয়া একটা বিজ্ঞাপনের উত্তর পাবার আশাতেই কলকাতায় এই বাহাত্তর নম্বরে অবস্থান করছেন। এই ঠিকানায় উত্তরটা উড়ে এলেই তিনি আবার বেরিয়ে পড়বেন গোটা বিশ্বের রহস্যময়তার আহ্ববানে। বাকীটা ইতিহাস।