গান

Share:

Facebook
WhatsApp
Telegram

Author: Premendra Mitra
Producer: Ghanadastories

Synopsis: বড়ো কৌতূহল উদ্দীপক ঝামেলা। বাহাত্তর নম্বর নস্কর পাড়া লেনের বাসিন্দাদের ঘোর সমস্যা। নানান ভয়ঙ্কর ভয় মাখা কার্ড এসে পৌঁছচ্ছে নানা ভাবে। বিপদগামী মানুষের বিপজ্জনক সময়ের এলোপাথাড়ি মার খাওয়া নিয়ে ঘনাদা নিজেও যখন উদবিগ্ন – তখন বাকিদের মুখে হাসি ফুটল। ওষুধে কাজ ধরেছে। আসলে ঘনাদাকে কিছুতেই যে বাহাত্তর নম্বর থেকে সাময়িক দূরে রাখা যাচ্ছিল না। কিন্তু সংস্কার তো করতেই হবে। তাই এই কৃত্রিম ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করা। অবশেষে রাজি ঘনাদা। ডায়মন্ডহারবারে কদিনের জন্যে হাওয়াবদল পরিকল্পনা।
ঈশ্বর বলে যদি কোথাও কেউ থেকে থাকেন তো তিনি এই সব কাণ্ডকারখানা দেখে নিশ্চয়ই বেশ হেসেছেন কদিন। কিন্তু দিনের দিনে ঘনাদা ঠিক একটা ঘটনা ঘটালেন। প্রত্যাশিতই ব্যাপারটা। দুম করে চিরাচরিত মন্তব্য- “গানটা দিয়ে দিলাম”। বোঝো কাণ্ড। গান!! হচ্ছে হাওয়াবদলের কথা। তার মধ্যে গান!! গান দিলেন মাৎসুয়োকে। মাতসুয়ো কে ? স্বাভাবিক প্রশ্ন ? কিন্তু ঘনাদার উত্তর যে স্বাভাবিক পথে হাঁটবে না এ তো বলাই বাহুল্য। প্রশান্ত দ্বীপপুঞ্জের মাঝামাঝি টোঙ্গা দ্বীপপুঞ্জের উত্তরে লিমু আর নিফা দ্বীপের কাহিনী এসে পড়ল। ব্যাঙেদের গান আর সেই সব গানেদের থামানোর অত্যন্ত বিচক্ষণ ঘনাদাসুলভ কর্মকুশলতা। সব শেষে সংযোজন – আমেরিকাতেও নাকি শুরু এই কোলাব্যাঙের ভয়ঙ্কর উৎপাত। ঘনাদা যদি সহজে গান না দেন তাই আমেরিকা থেকে এভাবে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে ঘনাদাবাহিনীকে একটু ভড়কে দেওয়া।
এরপরে আর ডায়মণ্ডহারবারে হাওয়াবদলের জন্য রাজী করানো যায় ঘনাদাকে ?