ঢিল

Share:

Facebook
WhatsApp
Telegram

Author: Premendra Mitra
Producer: Ghanadastories

Synopsis: সর্বনাশ! তুচ্ছ ভাঙা কাচের ঢেলা ভেবে ঘনাদার টেবিলের পেপারওয়েটটা কোথায় ফেলে দিয়েছে বনোয়ারি। ঘনাদার ঘরের কোন জিনিস তুচ্ছ ? কোন না কোন সাংঘাতিক তাৎপর্য তো থাকবেই। কে বোঝাবে মূর্খ বনোয়ারিকে !
সেকেন্দার শাহ এশিয়া জয়ের পথে হ্যালিকারনেশাস ধ্বংস করে লুঠতরাজ চালান। সেখানেই পরে গড়ে ওঠে পেট্রোনিয়াম শহর। সেটারই অপভ্রংশ তুরস্কের দক্ষিণ পশ্চিম কোণের বন্দর এই বোদরুম। ঘনাদার তখন স্পঞ্জের ব্যবসা। বোদরুম আর ক্রাবাকলা দ্বীপের মাঝে চুকা প্রণালী থেকে কুমালি অন্তরীপ ঘুরে সিমি দ্বীপ পর্যন্ত ঘনাদার ত্রেচান্দিরি নৌকায় তুমুল ঘোরাঘুরি দুষ্প্রাপ্য স্পঞ্জ ইউস্পঞ্জিয়া অফিসিনালিস মলিসিমার খোঁজে। ডাক নাম তুর্কিপেয়ালা। তাই জলফুসফুস আর হাওয়ার থলি পিঠে ফ্লিপার পায়ে সমুদ্রের নীচে চরে বেড়ানো।
সঙ্গী কাপকিন খুড়োর তুর্কিপেয়ালাই নয়, মারমারিস উপসাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজের বিভিন্ন দামী সামগ্রী তোলার দিকেই নজর। তারা এভাবেই ডুবে যাওয়া জাহাজের জায়গাটার কাছে পৌঁছে যায়। রাত জাগা অভিযান। ঘুমিয়ে পড়েছিল ঘনাদা। একটা আলোর রেখা দেখে ধাক্কাধাক্কি। সামনেই স্যাভেজ সাহেবের জাহাজ।
প্রথম চোটেই স্যাভেজের খুনে সহকারী কাশিমের মোকাবিলা। বলাই বাহুল্য কাশিমকে ধরাশায়ী করতে বেগ পেতে হল না ঘনাদাকে। টেবিলে ছিল টেকটাইটের সেই পেপারওয়েটটা। ঘনাদা সেটাই নিয়ে চলে এলেন। ডোবা জাহাজ থেকে পাওয়া আলাবাস্টারের মূর্তি স্যাভেজ ফেরত দিলেই ওটা ফেরত হবে। গল্পের মধ্যেই বনোয়ারী রাস্তা থেকে উদ্ধার করেছে সেই স্মৃতিবিজড়িত টেকটাইট। হারানো ধন ফিরে পেয়েও ঘনাদা খুশি বলে মনে হলো না।