দাস হলেন ঘনাদা

Share:

Facebook
WhatsApp
Telegram

Author: Premendra Mitra
Producer: Ghanadastories

Synopsis: ঘনাদা স্টিমারপার্টিতে যেতে চাইছেন না। অজুহাত ফতুয়া প্যান্ট নোংরা। ডাইংক্লিনিং এ সচরাচর পাঠাতেও চান না। তো শুরু হলো আওয়াজ দেওয়া। কিন্তু ঘনাদা কি দমবার পাত্র ? কাপড়চোপড়ে কাদা লেগে থাকার জন্য রসালো টিকা টিপ্পনিতেও ঘনাদার মন্তব্য – “একটু আধটু কাদা থাকা তো ভালো”। ব্যাস। এই মন্তব্য আসলে ইনিংসের ট্রায়াল বল। শুরু হল সামান্য কাদার দাগ থেকে একটা গোটা রাজ্য উদ্ধার হয়ে যাওয়ার অসামান্য কাহিনী।

আর্জেন্টিনা হয়ে পুরনো বন্ধু বেলমন্টের খোঁজ নিতে ব্রাজিলের মাতো গ্রসসো অঞ্চলে আরাগুয়াইয়া নদীর দেশে ঘনাদা। বেলমন্টোর দেখা পেলেও তেমন অভ্যর্থনা জোটে নি। আসলে অত্যন্ত বিমর্ষ বেলমন্টো তখন তার অতি সাধের র‍্যাঞ্চ বিক্রি করে দিতে চায় ব্রাজিল সরকারকে। কারণ ? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। মশা। ঘন কালো প্রলয়ের মেঘের মতো সবকিছু ঢেকে মুছে দেওয়া যোজনের পর যোজন মশার ঝাঁক। কোন মশা নিরোধক কিছুতেই যার বিনাশ অসম্ভব।

তো সমস্যা সংহারক ঘনাদাকে কখনো থামানো যায় ? শুরু হলো ঘনাদার কাদার কেরামতি। প্যান্টের পায়ের ভাঁজে পাওয়া কাদার সামান্য ছিটে খামচা মেরে তুলে নিয়ে গুঁড়ো করে শুকনো খাল বিলে ছড়িয়ে দিলেন। আসলে ওগুলো ছিলো সাইনোলেবিয়াস বেলট্রি। এক সপ্তার মধ্যে তুমুল বর্ষা – ভয়ঙ্কর বান। সেই শুকনো কাদার গুঁড়ো জল পেয়ে হয়ে উঠল মশার বংশ নির্বংশের হাতিয়ার। ঘনাদা তাই কখনো আর ধোপদুরস্ত থাকতে চান না। ময়লা কাদা বলে পোশাকে লেগে থাকা আপাত অবাঞ্ছিত শত্রুকে তিনি পরম মিত্রই ভাবেন।