
কেঁচো
Kencho
Author: Premendra Mitra
Producer: Ghanadastories
Synopsis: ঘনাদা বাসা খুঁজছেন! কিন্তু তার গল্প তো মন দিয়েই শোনা হয়। অবিশ্বাসকে চাপা দেওয়াও হয় মুগ্ধতার ভঙ্গিতে। তবু এখন রোজ পেপারে বাড়িভাড়া সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের পাতায় তিনি লাল পেন্সিলে দাগ দিচ্ছেন! ওঁর সেবার তো কোন ত্রুটি হচ্ছে না। টিফিন কেরিয়ার ভর্তি রকমারি লোভনীয় খাবার আসছে রোজ ঘনাদার জন্যই। আসলে কাঁটার ভয়ে ঘনাদার পাতে বেলেমাছ – এই অপমানজনক অপবাদ ঘনাদা মন থেকে মেনে নিতে পারেন নি। তাই এই বাড়ি খোঁজার তাড়াহুড়ো।
ঘনাদা আর এই মেসের বাড়িতে থাকবেন না। বেশ। অন্যরাও প্ল্যানে কমতি কিসের ? তারাও কাগজে বাড়ি ভাড়ার বিজ্ঞাপনে সবুজ কালিতে দাগাতে শুরু করল। শুধু কি তাই ? হঠাৎ একদিন সকাল থেকে চারমূর্তি নিরুদ্দেশ। রামভুজ মারফৎ ঘনাদার কানে খবর গেল – এই চার বাবুও নাকি মেস ছেড়ে অন্য বাড়ি চলে যাবে। তাই ঘর খুঁজতে বেরিয়েছে। ঘনাদা ঘাবড়াবেন কি! পালটা চালে এবারে একটা মারাত্মক টেলিগ্রাম। গোটা প্রশান্ত মহাসাগরের মুরুব্বি কর্তাদের ধমকে এই টেলিগ্রাম।
ওষুধে কাজ জব্বর। আবার সবাই টঙের ঘরে। মধুরতর সমাবর্তন। টেলিগ্রামের ব্যাখ্যা হিসাবে কাঁটা গল্পের জম্পেশ উপক্রমণিকা। একেবারে সেই আগের চেনা মেজাজ। ক্যারোলাইন দ্বীপপুঞ্জের ইফালিক নামক অ্যাটল এ ওঠার বিবরণ। স্কুবা ডাইভিঙ এ মেছো ফ্লিপার আর পিঠে অক্সিজেন সিলিণ্ডার নিয়ে প্রবালদ্বীপের সৌন্দর্য রহস্য উন্মোচনের কথা। সেখানেই পাওয়া গেল অ্যাকান্থ্যাস্টার প্লানচিটা বা কাঁটার মুকুটের রোমহর্ষক কাহিনী। এমন সব গল্প শোনার সৌভাগ্যের মধ্যে আর কখনো ঘটতে পারে এমন মধুর যূথবদ্ধতার মধ্যে কোন অকাম্য বিচ্ছেদ ?
